সর্বশেষ বুধবার দুপুর ৩ টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গত কয়েক দিনের তুলনায় ২ ডিগ্রি কম। এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ রোদ যেন আগুনের ফুলকি হয়ে ঝরছে।
বিশেষ করে দুপুরের পর আগুন ঝরা রোদের তেজে বাইরে বের হওয়া মুশকিল হয়ে পড়ছে। চলমান তাপদাহে সবচেয়ে কষ্টে পড়েছে খেটে খাওয়া নিমজুর, রিকশা-ভ্যান চালক ও কৃষকরা। তীব্র রোদে মাঠে কাজ করতে পারছে না কৃষকরা।
.png)
এদিকে দুপুরে অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে মানুষকে সতর্ক করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অংগ্রজাই মারমা। পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ মাইকিং করে এ সতর্ক করা হয়।
মাইকিংয়ে বলা হচ্ছে সারা দেশের ন্যায় এখানেও তীব্র তাপদাহ প্রবাহিত হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত দিনের বেলায় এ তাপদাহে বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা যাতে বাইরে বের না হয়। তাছাড়া দেশে পর্যাপ্ত বিদুৎ উৎপাদন হওয়া সত্বেও তাপদাহের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাময়িক লোড শেডিং হচ্ছে। এ ক্ষেতে সবাইকে গুজবে কান না দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অংগ্রজাই মারমা বলেন, এ উপজেলার সব স্থানে মাইকিং করে জনসাধারণকে সতর্ক করা হচ্ছে। তারা যেন অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বাহির না হয়। সন্ধ্যার পর শরবত, পানি ও ফলমূল বেশি বেশি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।