ইভান আলী জানান, তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ হরিমোহন স্কুলে পিয়নের অস্থায়ী চাকরি করেন। স্কুল থেকে তিনি মাসে ৬-৭ হাজার টাকা বেতন পান। কিন্তু তার এই সামান্য বেতনের টাকা দিয়ে পরিবার চালানো সম্ভব নয়। তাই তিনি অবসর সময় বা রাতে বাড়তি আয়ের আশায় অটোরিকশা চালান। অটোরিকশাটি লোন করে ক্রয় করেছেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, আমি এখন কীভাবে কিস্তি পরিশোধ করব ও সংসার চালাব বুঝতে পারছি না। আর মাত্র কদিন পর ঈদ, আমি এখন কী করব। তার এমন কান্নার খবর শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তার বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহবুব আলম।
.png)
শিক্ষক মাহবুবুল হক বলেন, ইভান আলী অনেক দরিদ্র। তিনি স্কুলে চাকরির পাশাপাশি রাতে অটোরিকশা চালান। ঋণের টাকায় কেনা অটোরিকশা হারিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। ইভানের অটোরিকশা চুরির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসি।
এরপর রাতেই ইভান আলীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় চুরি হওয়া অটোরিকশার জন্য সাধারণ ডায়েরি করেন। এ সময় সমাজসেবক ও বিত্তবানদের এই দুঃসময়ে তার পাশে থাকার আহ্বান জানান।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) মাহফুজুল হক চৌধুরী। তিনি জানান, চুরি হওয়া অটোরিকশা উদ্ধারে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।