বুধবার দুপুরে সামিউল মৎস্য হ্যাচারি ও নিরাপদ মৎস্য হ্যাচারির মালিককে এই জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফৌজিয়া নাজনীন।
বিষয়টি ডেইলি বাংলাদেশকে নিশ্চিত করে ইউএনও ফৌজিয়া নাজনীন বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল সরকারি আইন অমান্য করে লাইসেন্স ছাড়াই বিভিন্ন মৎস্য হ্যাচারি পরিচালনা করা হচ্ছে। পরে অভিযান চালিয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়। এসময় সামিউল মৎস্য হ্যাচারির মালিককে ৩০ হাজার টাকা ও নিরাপদ মৎস্য হ্যাচারির মালিককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করা হয়।
.png)
তিনি বলেন, উপজেলার অন্যান্য মৎস্য হ্যাচারিগুলোতেও অভিযান চালানো হবে। অবৈধভাবে কোনো হ্যাচারি গড়ে তোলা হলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।