বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিম খন্ড (চন্নাপাড়া) এলাকার রমিজ উদ্দিনের ভাড়া বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে ঘটনার পর পালিয়েছেন ওই গৃহবধূর স্বামী আল আমিন।
জানা যায়, ছয় বছর আগে প্রেম করে তাসলিমাকে বিয়ে করেন আল আমিন। তাদের ঘরে চার বছর বয়সী এক ছেলে আছে। চার-পাঁচ মাস আগে শ্রীপুর পৌরসভার চন্নাপাড়া গ্রামের রমিজ উদ্দিন প্রধানের তিনতলা ভবনের নিচ তলার একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থেকে দুজনই স্থানীয় কারখানায় কাজ করতেন।
.png)
বাড়ির মালিকের মেয়ে সুমাইয়ার আকতার রিমা জানান, বুধবার সেহরি খাওয়ার পর আল আমিন শ্যালক মেহেদী হাসান রিমনকে মোবাইলে তাসলিমার অসুস্থতার কথা জানিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। রিমন উত্তরায় থাকায় বিষয়টি তাদের জানালে তাৎক্ষণিকভাবে নিচ তলার ফ্ল্যাটে গিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে দেখতে পান মুখে রক্তাক্ত অবস্থায় তাসলিমার মরদেহ। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
নিহতের চাচাতো ভাই লাদেন মিয়া জানান, তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। গত ৪-৫ দিন আগে তাদের মধ্যে আবারো ঝগড়া হয়। পরে নিহতের ফুফাতো ভাই রাসেল মীমাংসা করে দিয়ে আসেন।
শ্রীপুর থানার ওসি এ এফ এম নাসিম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বামীকে আটকে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।