মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ভুক্তভোগী ওই নারী শ্রমিক (২৩) বাদী হয়ে আমিনুলকে আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানা মামলা করেন। পরে সোমাবার রাতে তাকে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আমিনুল হক ফতুল্লা মডেল থানার ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠস্থ জিহাদ নিট ফ্যাশনের মালিক।
.png)
মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদী ও তার স্বামী আমিনুল হকের মালিকানাধীন জিহাদ নিট ফ্যাশনে গত এক বছর ধরে চাকরি করে আসছিলেন। গত ৬-৭ মাস ধরে প্রায় সময় বাদীর স্বামীকে ছুটি দিয়ে দিলেও বাদীকে রাত্রীকালীন সময়ে কাজে রেখে দিতেন। এ সময় রাতের নাস্তার সঙ্গে চেতনাশক ওষুধ মিশিয়ে ওই নারীকে খাওয়ানো হতো। এ অবস্থায় একাধিকবার ধর্ষণসহ বিবস্ত্র ছবি এবং ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে রাখতেন আমিনুল। বাদী অচেতন থাকায় বিষয়টি বুঝতে পারেনি।
চলতি মাসের ৪ তারিখ রাত ৮টা-ভোর ৬টা পর্যন্ত বাদী তার নাইট ডিউটি শেষে বাসায় চলে আসার সময় আমিনুল হক তার সঙ্গে জরুরি কথা আছে বলে সব শ্রমিকদেরকে ছুটি দেন। তবে ওই নারীকে যেতে নিষেধ করেন। সব শ্রমিক চলে গেলে তিনি তার নিজ অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে ধারণ করা ধর্ষণের ভিডিও দেখিয়ে তাকে ফের ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে বললে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনলাইনে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার এসআই সৈয়দ আজিজুল হক জানান, অভিযুক্ত আমিনুলকে সোমাবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।