শুক্রবার বিকেলে পরিবারের জিম্মায় ওই স্কুলছাত্রীকে হস্তান্তর করা হয়। ওই স্কুলছাত্রী নড়াইল সদরের একটি স্কুল থেকে চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
জানা যায়, গত ১৮ মার্চ সকালে স্কুলের উদ্দেশ্যে বের হন ওই শিক্ষার্থী। এরপর আর বাড়ি ফিরেননি তিনি। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েন পরিবারের লোকজন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পেয়ে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ওই শিক্ষার্থীর মা। পরে নড়াইল জেলার পুলিশের একাধিক টিম সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজির পাশাপাশি ছায়া তদন্ত শুরু করে।
.png)
তদন্তের একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রায় ২১ দিন পর ঢাকা মেট্রোপলিটনের কদমতলী থানা এলাকায় শিক্ষার্থী অবস্থান শনাক্ত করেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সার্বিক সহায়তায় নড়াইল সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক মো. আমির হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল জান্নাতি নামে এক মেয়ে বান্ধবীর বাসা থেকে শুক্রবার ভোরে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে।
নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুন বলেন, আমাদের প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল সুস্থভাবে তাকে উদ্ধার করা। নড়াইল জেলা পুলিশের একাধিক টিমের সমন্বিত প্রচেষ্টায় ওই শিক্ষার্থী অবস্থান শনাক্ত করে সুস্থভাবে উদ্ধার করতে পেরেছি। মেয়েটির পরিবার কুয়েত প্রবাসী এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করেন। তবে মেয়েটি পড়াশোনা করতে চায়। এই মুহূর্তে সে বিয়ে করবে না বলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
তিনি আরো বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচিত হওয়া তার ঢাকার বান্ধবীকে শনাক্ত করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। পরে ওই শিক্ষার্থীকে মা ও ভাইদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া ওই শিক্ষার্থীকে যেন বাল্যবিয়ে দেওয়া না হয় সেজন্য পরিবারকে সতর্ক করা হয়েছে।