সাঘাটা থানার ওসি (তদন্ত) মো. রজব আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, উপজেলার কামালেরপাড়া ইউপির ওসমানেরপাড়া গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে আপেল মাহমুদের সঙ্গে কচুয়া ইউপির চন্দনপাট গ্রামের শহিদুল ইসলামের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে শিলা আক্তারের সঙ্গে তিন বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়েতে শিলা রাজি না থাকলেও পরিবারের চাপে সম্মতি হতে বাধ্য হয়। কম বয়সে বিয়ের ফলে সংসারে বিভিন্ন কাজকর্ম নিয়ে স্বামীর সংসারে শিলার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চলতো।
.png)
এ অবস্থায় তিন মাস আগে শিলাকে তালাক দেয় আপেল মাহমুদ। তালাকের পর থেকে বাবার বাড়িতে থাকতো শিলা আক্তার। কিন্তু শিলা তার তালাক মেনে নিতে পারছিলো না। এবার তার এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা। এসব মানসিক চাপের কারণে বুধবার ভোরে কীটনাশক পান করে নিজ ঘরের শয়ন কক্ষে আত্মহত্যা করে। সকালে পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘরে গিয়ে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। এ ঘটনা জানাজানি হলে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশে খবর দেয়।
স্থায়ীয়রা জানান, মেয়েটি স্বামীর সংসার করতে না পেরে মানসিক চাপের মধ্যে ছিলো। মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেয়ে মেয়েটি আত্মহত্যা করতে পারে।
সাঘাটা থানার ওসি মো. রাজু সরকার জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে শিলা আক্তারের মৃত্যুর বিষয় উল্লেখ করে তদন্তপূর্বক লাশ দাফনের অনুমতি চেয়ে থানায় লিখিত আবেদন করা হয়েছে। আবেদনের প্রেক্ষিতে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।