আহত ব্যবসায়ী সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া কোনার পাড়ার মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪০)। তিনি হোটেল মোটেল ব্যবসায়ী। বাড়ি থেকে বের হয়ে খরুলিয়া বাজারে আসলে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাকে ঘিরে ফেলে এবং হাতুড়ি ছুরিকাঘাত করে পকেটে থাকা দুই লাখ টাকা ছিনেয়ে নেয়।
চাহিদানুযায়ী চাঁদা না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে একাধিক মামলার পলাতক আসামী একই এলাকার মৃত জুলফিকার আলীর ছেলে সরওয়ার আলম সুকন (৩৭)ও শহিদুল আলমসহ ৩/৪ জন সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে দিবালোকে খরুলিয়া বাজারে ওই ব্যবসায়ীকে হত্যার উদ্দেশ্যে হাতুড়ি দিয়ে মাথায়, কোমরে আঘাত করে এবং ছুরি চালিয়ে বুকে পিঠে মারাত্মক জহম করে। আহত শফিকুলকে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার অবস্থা শংকামুক্ত নয়। তাকে ২৪ ঘন্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে বলে জানান, চিকিৎসকরা।
.png)
এদিকে আহত শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে সরওয়ার ও তার সহোদর শফিকসহ অজ্ঞাত আরো দুই জনকে আসামী করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। দায়েরকৃত এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে আসামীগন অতিশয় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ,অস্ত্রধারী খুনি, অপহরণকারী ছিনতাইকারী ও মাদক মামলার আসামী।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরওয়ার সুকন ও তার ভাই শফিক দুইজনই চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। তাদের ভয়ে এলাকার লোকজন মুখ খুলে না। এমনকি স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রশিদ ও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান টিপু সুলতান চোধুরী অবশ্য ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল হক ডেইলি বাংলাদেশকে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে থানায় একটি এজাহার দেয়া হয়েছে।আসল বিষয় তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।