গ্রেফতারকৃতরা হলেন উপজেলার চরকলমী গ্রামের মো. সিরাজ উদ্দিনের ছেলে মো. বেলাল, একই গ্রামের মো. মাহফুজের ছেলে মো. রাশেদ, আমিনুল হকের ছেলে মো. মাইন উদ্দিন ওরফে পিষ্টু, আবুল কালামের ছেলে মো. লোকমান হোসেন, দক্ষিণ চরকলমী গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মো. মহিন উদ্দিন ওরফে চঁন মিয়া।
মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম।
.png)
নিহত মো. দিদার উল আলম ওরফে বেচু উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরলক্ষী গ্রামের মাইন উদ্দিন বেপারীর ছেলে।
শুক্রবার (১০ মার্চ) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এসপি জানান, গত ৬ মার্চ বিকেলে গরু বিক্রি করে উপজেলার ছমির হাট বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে গরু বেপারী দিদারকে ছিনতাইকারীরা ছুরিকাঘাত করে তার সঙ্গে থাকা টাকা ও মুঠোফোন নিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে স্থানীয় এক অটোচালক তাকে দেখতে পেয়ে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার ১০ মার্চ দুপুরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
এসপি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত আসামি মো. বেলাল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন। তার জবানবন্দি অনুসারে আরো ৪ আসামিকে গ্রেফতার করা হয় এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ব্যবহৃত ছুরি, গাছের ঢাল ও একটি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (১৩ মার্চ) মো. রাশেদ বিজ্ঞ আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেন।