এদিকে লাল ডিমের দাম হালিতে ৪ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। এছাড়া সাদা ডিম ৪০ টাকা, পাকিস্থানি ও হাঁসের ডিম ৬০ টাকা ও কয়েল পাখির ডিম ১২ টাকা হালি।
নওগাঁ পৌর ক্ষুদ্র চাল বাজার সূত্রে জানা যায়, মোটা জাতের চাল (স্বর্ণা-৫) প্রতি কেজিতে ৩ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৪৫-৪৬ টাকা, ব্রিআর-২৮ ও ২৯ জাতের চাল ৫৬-৫৭ টাকা ও জিরাশাইল ৬৪-৬৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে নাজিরশাইল (পাইজাম) ৭০-৭২ টাকা ও কাটারিভোগ ৬৮-৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। এছাড়া সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সুগন্ধি চিনিগুঁড়া (আতব) জাতের চাল প্রতিকেজি ১৩০-১৪০ টাকা।
.png)
শ্রমজীবী নারী তাসলিমা বলেন, চালও ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। তবে চালের সঙ্গে সবজি, মাছ, ডাল, তেল, মুরগির দামে কমলে আমাদের জন্য ভালো হতো।
নওগাঁ খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে- শীত মৌসুম শেষে গ্রীষ্মকালিন শাকসবজি বাজারে উঠতে শুরু করেছে। তবে দাম কিছুটা বেশি। সবজি প্রতিকেজি বেগুন, পেঁপে, গাজর ও খিরা ৩০ টাকা, টমেটো ২০ টাকা, সিম ৪০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, কচুরলতি ৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা। সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে করলা ১০০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা এবং সজিনা ২০০ টাকা। তবে প্রতিপিস লাউ ২০ টাকা, কলা ২০ টাকা হালি এবং ফুলকপি ২০-২৫ টাকা।
খুচরা চাল বিক্রেতা মাসুম আলী বলেন, মোটা জাতের চাল (স্বর্ণা-৫) প্রতি কেজিতে ৩ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৪৫-৪৬ টাকা, ব্রিআর-২৮ ও ২৯ জাতের চাল ৫৬-৫৭ টাকা ও জিরাশাইল ৬৪-৬৬ টাকা। সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সুগন্ধি চিনিগুড়া (আতব) জাতের চাল প্রতিকেজি ১৩০-১৪০ টাকা।