গ্রেফতার তুহিন মিয়া উপজেলার কচুয়া ইউপির গাছাবাড়ী গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে তুহিন মিয়াসহ দুইজনের নাম উল্লেখ করে সাঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি মাদরাসায় সপ্তম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে।
পুলিশ জানায়, গাছাবাড়ী গ্রামের ওই মাদরাসা ছাত্রীর পাশের বাড়ির মাসুদ মিয়া গ্রাম সম্পর্কে দাদা হন। তিনি ঢাকায় অবস্থান করায় তার স্ত্রী শিল্পি বেগম বাড়িতে একাই থাকেন। বেশ কয়েকদিন ধরে ওই ছাত্রী দাদি শিল্পী বেগমের সঙ্গে রাতে ঘুমায়। গত ২ ফেব্রুয়ারি আমির উদ্দিনের ছেলে তুহিন মিয়া শিল্পী বেগমের সহায়তায় ওই ঘরে ঢোকে। এক পর্যায়ে শরবতের সঙ্গে ঘুমের টেবলেট মিশিয়ে অচেতন করে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। সকালে ধর্ষণের ঘটনাটি ওই ছাত্রী তার পরিবারকে জানায়। এ দিকে এই ঘটনা দামাচাপা দিতে তুহিন মিয়ার পরিবার ও শিল্পী বেগম শুক্রবার দিনভর চেষ্টা চালায়। পরে বিকেলে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
.png)
শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে সাঘাটা থানায় তুহিন মিয়া ও শিল্পী বেগমকে আসাম করে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তুহিন মিয়াকে গ্রেফতার করে।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু মিয়া বলেন, ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।