বৃহস্পতিবার বিকেলে কোতয়ালি মডেল থানা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে এদিন ভোররাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে সুজন হাসানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সুজন হাসান মুক্তাগাছা উপজেলার সৈয়দগ্রামের ইসাহাক আলীর ছেলে।
কোতয়ালি মডেল থানার এসআই নিরুপম নাগ বলেন, ২০১৮ সালে পারিবারিকভাবে সুজন হাসানের সঙ্গে বিয়ে হয় মৌসুমির। বিয়ের পর থেকে সুজন তার স্ত্রীর কাছে যৌতুকের টাকা দাবি করে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ লেগেই থাকতো। যৌতুকের টাকার জন্য নির্যাতন করায় ২০১৯ সালে মৌসুমি স্বামীর নামে আদালতে মামলা করেন। ওই মামলায় দুই মাস জেল খাটেছিলেন সুজন।’
.png)
তিনি আরো বলেন, ঘটনার দিন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শ্বশুরবাড়িতে যান সুজন। সেখান থেকে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি কৌশলে মৌসুমিকে সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের গোষ্টা পশ্চিমপাড়া নলকুড়িয়া বিলের ধানক্ষেতে নেন। সেখানে সুজন মৌসুমির গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে যান। বুধবার সকালে সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের গোষ্টা পশ্চিমপাড়া নলকুড়িয়া বিলের ধানক্ষেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। এই ঘটনার কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন নিহতের বড় বোন আয়েশা আক্তার ওরফে শাহনাজ। মামলার পর অভিযান চালিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে সুজন হাসানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
কোতয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, জিজ্ঞাসাবাদে সুজন হাসান এই হত্যাকাণ্ডে তার জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।