বলছি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের সাহেবের চর গ্রামের বৃদ্ধ এমারুল ইসলামের কথা। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে থামিয়ে রাখতে পারেনি। চা বিক্রি করে কোনোদিন ৩০০ টাকা, আবার কোনোদিন ২০০ টাকা আয় হয় তার। আর এ আয় দিয়েই চলে দুই সন্তান, স্ত্রীসহ চারজনের সংসার। তবুও নেই কোনো আক্ষেপ। তার ছোট ছেলে স্থানীয় পিতলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। বড় ছেলে হাফেজ হয়ে মাওলানায় পড়ছেন।
চা বিক্রেতা এমারুল জানান, তার কোনো আক্ষেপ নেই। তবে পায়ে সমস্যা থাকার কারণে চলাচল করতে কষ্ট হয়। তবুও খেয়ে বেঁচে থাকতে হবে, পরিবার নিয়ে চলতে হবে। এজন্য খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলে চা বিক্রি করেন। তবে, একটা দোকানের ব্যবস্থা হলে ভালো হতো বলে জানান তিনি।
.png)
সিদলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কাঞ্চন জানান, এমারুল ইসলামের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও বিভিন্ন সহযোগিতা করা হয়। তার বিষয়টি নজরে আছে বলেও জানান তিনি।