বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার ফতেপুর বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মাজিদুল ইসলাম সাপাহার উপজেলার কোচ কুড়লিয়া গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় র্যাব-৫ জয়পুরহাট থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
.png)
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাজিদুল ইসলামসহ ২/৩ জনের একটি সিন্ডিকেট এই চক্রের মূলহোতা। তিনি নিজেকে বাংলাদেশ আনসারের ভুয়া সার্কেল এ্যাডজুটেন্ট হিসেবে পরিচয় দিতেন। তারা ২০১৯ সাল থেকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে জাল নিয়োগপত্র প্রদানের মাধ্যমে প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসছিলেন।
এছাড়া পলাতক আসামি সাইফুল ইসলাম নিজেকে মালিবাগ সিআইডি অফিসের ভুয়া এসআই পরিচয় দেন। তিনিও এই দলের একজন সক্রিয় সদস্য। ২০২১ সালে কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার জন্য এক প্রার্থীর কাছ থেকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা নিয়ে জাল নিয়োগপত্র দেন। পরে কনস্টেবল পদে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ওই প্রার্থী ভুয়া নিয়োগপত্রের কথা জানতে পারেন।
পরে ভুক্তভোগীরা র্যাব-৫ এ অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোস্তফা জামান এবং স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ রানার নেতৃত্বে অভিযান চালায় র্যাব। ধামইরহাট থানার ফতেপুর বাজার থেকে মাজিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় কয়েকটি জাল নিয়োগপত্র ও অন্যান্য নথি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ধামইরহাট থানায় মামলা দায়ের করা হয়।