নান্দাইল থানার এসআই আব্দুল কাদির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সাবেক ইউপি সদস্য আবু সাইদ বিকেলে খারুয়া ইউপির বনগ্রাম চৌরাস্তা বাজার থেকে ওষুধ কিনে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হলেও আবু সাইদ বাড়ি না ফেরায় তার ছেলেরা খুঁজতে বের হয়। পরে প্রতিবেশি সাত্তারের পান ক্ষেতের পাশ গিয়ে যাওয়ার সময় আবু সাইদের নম্বরে ফোন করলে পাশেই মোবাইল বেজে উঠে। পরে পান ক্ষেতের ড্রেনে মাথার দিকে অর্ধেক মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় আবু সাইদকে দেখতে পেরে থানায় খবর দেন ছেলেরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে রাত ১০ টার দিকে থানায় নিয়ে আসে।
.png)
এসআই আব্দুল কাদির আরো বলেন, প্রতিবেশি সাত্তারের সঙ্গে নিহত আবু সাইদের টাকার লেনদেন ছিল। এই টাকা লেনদের জন্যই সাত্তার তার লোকজন নিয়ে আবু সাইদকে কুপিয়ে হত্যা করতে পারে বলে ধারণা করছেন তার ছেলেরা। এই ঘটনার পর সাত্তার ও তার পরিবারের লোকজন পালিয়েছেন। মরদেহ বুহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মযমনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।