নিহত প্রাপ্ত উপজেলার বিলাশপুর ইউপিরর চেরাগ আলী বেপারীকান্দি গ্রামের মৃত আতিকুর রহমানের ছেলে। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় পুলিশ।
জানা গেছে, প্রাপ্ত গত ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাড়ি থেকে ভ্যান নিয়ে বের হন। এরপর রাতে তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। ১৩ ফেব্রুয়ারি পরিবার জাজিরা থানায় সাধারণ ডায়রি করেন। পরে পুলিশ মৃত্যুর রহস্য জানতে তদন্ত শুরু করেন। মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার রাতে শরীয়তপুরের জাজিরার সেনেরচর এলাকার নুরুল ইসলাম নামের একজনকে আটক করে পুলিশ। নুরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্তকে ভ্যানের জন্য হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে।
.png)
নুরুল ইসলাম জানায়, তার শালা এমাদাদুল বেগ ও শোমন্দি জাহিদ বেগকে নিয়ে প্রাপ্তকে মোবাইলে ফোন দিয়ে ডেকে কাজিরহাট নিয়ে প্রথমে ভ্যান চুরি করে এবং পরে তাকে গলায় রশ্মি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে আফাজ উদ্দিন মুন্সিরকান্দি এলাকার কেনা উল্লাহ মাদবরের ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রেখে চলে যায়। ভ্যানটি মাদারীপুর কাঠালবাড়ি ইদ্রিস মাদবরের কাছে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। তবে ওই রাতেই এমদাদুল বেগ ও ভ্যান ক্রেতা ইদ্রিস মাদবরকে আটক করা হয়। আর জাহিদ বেগ পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তাকে আটকের চেষ্টা করছে পুলিশ।
প্রাপ্ত’র বোন সালমা আক্তার, মামা এসকান্দার ও মামি ফাহিমা বেগম বলেন, ভ্যানের জন্য প্রাপ্তকে হত্যা করা হয়েছে। এটা মেনে নেয়ার মতো না। প্রাপ্ত হত্যার বিচার চাই, হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রাপ্তর ভ্যান চুরি করে বিক্রি করা হয় এবং তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।