মঙ্গলবার দুপুরে ডেইলি বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ইউএনও সাঈদা পারভীন। এর আগে, এদিন সকালে মেলার প্রচারকদের ডেকে ওই উপজেলায় লটারি বিক্রি করতে নিষেধ করেন তিনি।
ইউএনও বলেন, উপজেলা জুড়ে মেলার নামে লটারি বিক্রি করা হচ্ছিল। সকালে লটারি বিক্রেতাদের ডেকে একত্র করা হয়। পরে সোনাতলায় লটারি বিক্রি করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছে। এরপরেও যদি কেউ লটারি বিক্রি করেন, তাহলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে জেল দেওয়া হবে।
.png)
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার বি-ব্লক মাঠে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা শুরু হয়। পরে গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে সেখানে লটারি জুয়া চালু হয়। প্রতিদিন রাত ৯ টার দিকে লটারির র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। যা স্থানীয় ক্যাবল অপারেটরের মাধ্যমে টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিভিন্ন কোম্পানির একাধিক মোটরসাইকেল, স্বর্ণালংকার, টিভি, ফ্রিজসহ বিভিন্ন পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে লটারি জুয়ায়। জেলার প্রতিটি উপজেলায় লটারি বিক্রি করছেন মেলার প্রচারকরা। প্রায় ২৫০-৩০০ টি ইজিবাইসহ বিভিন্ন যানবাহনে লটারি বিক্রি করা হয়। প্রতিটি লটারির মূল্য ২০ টাকা। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ভাগ্য যাচাই করতে লটারি জুয়ায় অংশ নিচ্ছেন।