মঙ্গলবার দুপুরে শেরপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানান র্যাব- ১৪ সিপিসি ১, জামালপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াডন লিডার আশিক উজ্জামান।
র্যাব কর্মকর্তা জানান, ১৫ বছর আগে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার বাবেলাকোনা গ্রামের মৃত আব্বাস মিয়ার মেয়ে আজেদা বেগমের সঙ্গে বিয়ে হয় প্রতিবেশী নজরুল ইসলামের। বিয়ের পর তাদের ঘরে দু'টি সন্তান জন্মগ্রহণ করে। পরে তাদের মধ্যে শুরু হওয়া দাম্পত্য কলহের জের ধরে ২০০৮ সালে ২৩ শে মে প্রকাশ্যে নজরুল ইসলাম স্ত্রী আজেদা বেগমকে গলা কেটে হত্যা করে।
.png)
এ ঘটনায় ভিকটিমের ভাই সুজন রেজা বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই আসামি নজরুল ইসলাম পলাতক ছিলেন। ২০২০ সালে ১৪ অক্টোবর শেরপুরের অতিরিক্ত দায়রা জর্জ আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব -১৪ অভিযান চালিয়ে সোমবার ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে নজরুলকে র্যাব গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত নজরুলকে বিকেলে শ্রীবরদী থানায় হস্তান্তর করে।