শনিবার দুপুরে বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের দিঘা দাবিয়াতলা গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মৃত প্রিয়া বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের দিঘা দাবিয়াতলা গ্রামের ইসলাম আলীর স্ত্রী।
প্রিয়ার শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানান, কয়েকদিন আগে প্রিয়া খাতুন বাবার বাড়ি পাবনায় বেড়াতে যেতে চান। বিষয়টি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। প্রিয়াকে বাবার বাড়ি না যেতে দিয়েই কাজে চলে যান তার স্বামী। পরে প্রিয়া তার শোবার ঘরে সবার অজান্তে আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেন।
.png)
বাঘা থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন জানান, শনিবার সকালে শয়নকক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় প্রিয়া খাতুনের লাশ দেখে থানায় খবর দেন তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পুলিশ দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। এই মৃত্যুটি রহস্যজনক বলে মনে হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য প্রিয়ার শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না। আপাতত এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে অন্য কিছু পেলে পরে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।