ঘটনাটি ঘটেছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায়। মসুদ কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের ভূঁইগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। ওই গ্রামের পাইকপাড়া বাজারে একটি রেস্তোরাঁ রয়েছে তার।
মসুদ জানান, ২০১৮ সালের ৩১ মে, তার জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু করা হয়। কিছুদিন আগে জরুরি প্রয়োজনে তার নামে বিদেশ থেকে টাকা পাঠায় এক আত্মীয়। কিন্তু ব্যাংকে গিয়েও টাকা তুলতে পারেননি তিনি। কারণ ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে মৃত দেখাচ্ছে তাকে। এতে বিস্মিত হয়ে পড়েন তিনি। পরে সেখান থেকে বিস্তারিত তথ্য ডাউনলোড করেন তিনি। ডাউনলোড করা তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মসুদের জন্ম। আর ২০২২ সালের ১৬ নভেম্বর মসুদের মৃত্যু হয়েছে বলে মৃত ‘স্ট্যাটাস’-এ উল্লেখ রয়েছে।
.png)
মসুদ আরো জানান, বুধবার সেখান থেকে ফিরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ‘জীবিত’ মর্মে সনদ সংগ্রহ করেন তিনি। পরে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের সংশোধনের জন্য আবেদন করেছেন তিনি।
স্থানীয় অলি আহমদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন আফিসের ভুলের কারণে মসুদ ব্যাংক থেকে টাকা ওঠাতে বিপাকে পড়েছেন।
কুলাউড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আহসান ইকবাল জানান, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার সময় সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহকারীর ভুলের কারণে অথবা অন্য কোনো কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। আবেদন এলে সংশোধন করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।