মৃত রানী খাতুন ওই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে এবং রাজশাহীর পটিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া কানাইপাড়া গ্রামের রাহিম মুন্সির স্ত্রী ও এক সন্তানের জননী। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ায় হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আদমদীঘির শিবপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে রানী খাতুনের সঙ্গে রাজশাহীর পটিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া কানাইপাড়া গ্রামের কাঁচামাল ব্যবসায়ী রাহিম মুন্সির ৯ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। রানী খাতুনের স্বামী রাহিম মুন্সি এক মাস পূর্বে দ্বিতীয় বিয়ে করার পর রানী খাতুন ও তার স্বামীর মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।
.png)
একপর্যায়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি সন্তানকে রেখে তার স্বামী রানী খাতুনকে তাড়িয়ে দিলে তিনি আদমদীঘির শিবপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে আসেন। সেখানে আসার পর রানী খাতুনকে তার স্বামী রাহিম মুন্সি মোবাইলে নানাভাবে মানসিক নির্যাতন করেন। একপর্যায়ে ক্ষোভে-অভিমানে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাবার বাড়িতে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।
আদমদীঘি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জিল্লুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।