মঙ্গলবার রাত আটটা পর্যন্ত তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি পরিবারের কোনো সদস্য। ফলে আশঙ্কার মধ্যে সময় কাটছে তাদের। এর আগে, সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
তুরস্কে আঘাত হানা এই ভূমিকম্প দেশটির ১০০ বছরের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী। ভূমিকম্পনের ফলে দেশটির বহু ভবন ধসে পড়ে।
.png)
নিখোঁজ মোহাম্মদ গোলাম সাঈদ বগুড়ার গাবতলী উপজেলার কাগইলের দেওনাই গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. গোলাম রব্বানী। মায়ের নাম মোছা. সালেমা খাতুন।
তিনি ২০১৫ সালে স্কলারশিপ নিয়ে তুরস্কে পড়তে যান। ওই দেশের কারামানমারাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত শনিবার তার গ্রাজুয়েশন সমাপ্ত হয়। তবে ফলাফল এখনো প্রকাশ হয়নি বলে জানান তার ছোট ভাই গোলাম রাসুল রিফাত।
রিফাত আরো বলেন, তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ খাহরামানমারাসে এক ভবনে সাঈদ বসবাস করতেন। ভয়াবহ ভূমিকম্প সেই ভবন বিধ্বস্ত হয়েছে। এরপর থেকেই সাঈদের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
সাঈদ ফিরে আসবে এই আশায় অপেক্ষায় রয়েছেন তার স্বজনরা।