নিহত সুমাইয়া আক্তার উপজেলার কুতিউড়া গ্রামের আ. ছালাম ওরফে চট্টু মিয়ার মেয়ে। প্রেমিক ইউসুফ উপজেলার খলিশাউড় পূর্বপাড়া গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে তিনি।
জানা গেছে, ইউসুফের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সুমাইয়ার। গত ১৫ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে ইউসুফ তার প্রেমিকাকে বিয়ের প্রলোভনে ডেকে নেন। পরে বিয়ে না করার কথা জানিয়ে কিছুক্ষণ পর ইউসুফ তার দুই বন্ধুকে দিয়ে সুমাইয়াকে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
.png)
এ সময় বাড়ির লোকজন ইউসুফের বন্ধু ফারুককে মারধর করে। পরে ফারুক তার গ্রামের লোকজনকে খবর দেন। এরপর ৩০-৩৫ জনের একটি দল লাঠিসোটা নিয়ে কুতিউড়া গ্রামে এসে ফারুককে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কিন্তু ততক্ষণে সুমাইয়া কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় রাতেই তাকে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
নিহতের বড় ভাই হারুন মিয়া জানান, কীটনাশক পানের পর চিকিৎসা শেষে গত বুধবার বাড়িতে ফেরে তার বোন সুমাইয়া। হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। প্রথমে নারায়ণডহর বাজারে পল্লী চিকিৎসক আনোয়ার ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান স্বজনরা। পরে সুমাইয়ার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সুমাইয়া।
পূর্বধলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল আলম জানান, রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।