এর আগে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে তালাবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে ৪৭ লাখ টাকার কয়লা পরীক্ষার মেশিন চুরির ঘটনা ঘটে। পরে ১৬ জানুয়ারি রামপাল থানায় এ সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করেন কেন্দ্রের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (সিকিউরিটি ও প্রশাসন) মোও অলিউল্লাহ।
আটককৃতরা হলেন রামপাল উপজেলার বর্ণী গ্রামের মো. বাচ্চু শেখের ছেলে বাদশা শেখ, পিরোজপুরের নরখালি গ্রামের মো. নুর আলমের ছেলে রাব্বি ইসলাম, ফকিরহাটের চিত্রা গ্রামের প্রকাশ চন্দ্র শীলের ছেলে কার্তিক শীল, খাজুরা গ্রামের মো. শামসুল আলমের ছেলে মো. আবুল কারিম।
.png)
এদের মধ্যে কার্তিক শীল ছাড়া অন্য তিন জন রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিভিন্ন পদে চাকরি করেন।
রামপাল থানার ওসি মো. সামসুদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকা থেকে চোরচক্রের চারজনকে আটক করি। পরবর্তীতে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাব্বির এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে কয়লা পরীক্ষার মেশিন উদ্ধার করা হয়েছে। মেশিনটি মূল্যবান হওয়ায় তারা চুরি করেছেন। এছাড়াও এ চুরির সঙ্গে কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।