বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর নলজানি এলাকায় রান্না ঘরের গ্যাস সিলেন্ডার বিষ্ফোরণে ফারজানা হক ওরফে কচি নামে এক পুলিশ সার্জেন্টের স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার লাউঘাটা গ্রামের শাহনেওয়াজের স্ত্রী। নিহতের স্বামী শাহনেওয়াজ গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সার্জেন্ট হিসেবে কর্মরত আছেন।
জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরীর নলজানি এলাকায় প্লাটিনাম টাওয়ার নামের একটি ভবনের ৮ তলায় স্ত্রী ফারজানা হককে নিয়ে ওই পুলিশ সার্জেন্ট বসবাস করেন। ফারজানা হক বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে রান্না ঘরে কাজ করতে গেলে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। এ সময় তার শরীরে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
.png)
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, বাসায় তিনি ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। ধারণা করা হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে লিকেজ হয়ে রান্না ঘরে গ্যাস জমে ছিল। তিনি যখন রান্নার জন্য চুলায় আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করেন তখনই ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে তিনি অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান।
অপর দিকে বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার ইটাহাটা এলাকায় একটি সোয়েটার ফ্যাক্টরির নতুন ফ্লোরের কাজ চলার সময় রাস্তার পাশে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার বিষ্ফোরণে আয়েশা সিদ্দিকা নামে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আয়েশার বাবা রাশেদুল ইসলাম একজন প্রবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
নিহতের দাদা সোলায়মান মিয়া জানান, তিনি পরিবার নিয়ে ইটাহাটা এলাকার আবুল হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। রাস্তার পাশে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার বিষ্ফোরণে তার নাতনির মৃত্যু হয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন বাসন থানার ওসি সানোয়ার জাহান জানান, গ্যাসের আগুন থেকে ওই পুলিশ সার্জেন্টের স্ত্রী ফারজানার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গেছেন। অপর দিকে ইটাহাটা এলাকায় সিলিন্ডার বিষ্ফোরণে শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।