শুক্রবার রাতে মামলাটি করেন গ্রামপুলিশ সুশিল চন্দ্র, হাবিবুর রহমান ও আফজাল হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামে ১০ শতক জায়গার মালিকানা নিয়ে হায়দার আলীর সঙ্গে ওমর আলীর বিরোধ চলে আসছিল। এই বিষয়ে আদালতেও মামলা চলমান। গত বুধবার সকালে ওমর আলীসহ তার পরিবারের লোকজন বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে এলে বাধা দেন হায়দার আলীর ছেলেরা। কথা-কাটাকাটি একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে খোদাদাদপুর চারমাথা এলাকার হায়দার আলীর ছেলে মিম ও একই এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে রাকিব নিহত হন।
.png)
এরই জেরে পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে খোদাদাদপুরের বিক্ষুব্ধ লোকজন পাশের চুনিয়া গ্রামে ঢুকে বাড়িঘর ও খড়ের পালায় আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে বসতবাড়ির আসবাবপত্র ও মালামাল পুড়ে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের লোকজনেরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নেয়। এতে প্রায় ১৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।
ঘোড়াঘাট থানার ওসি আবু হাসান কবির বলেন, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১২০০ জনকে আসামি করে তিন গ্রামপুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছেন। এরমধ্যে দুই যুবককে হত্যার ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।