জানা যায়, বাড়ি থেকে বের হয়ে করতোয়া নদীর ধারে একটি ভুট্টা ক্ষেতের পাশে গবাদি পশুর ঘাস কাটার জন্য কাস্তে নিয়ে যান খোকন। পরে দুপুরে ওই ভুট্টা ক্ষেতের পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় এক নারী চিৎকার শুরু করেন। লাশ উদ্ধারের কথা প্রতিবেশীদের কাছে শুনে খোকনের স্ত্রী রুমানা আক্তার ঘটনাস্থলে গিয়ে খোকনের পরিচয় নিশ্চিত করেন। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠায়। নিহতের গলায় কাচি দা আঘাতে গভীর গর্ত হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। এ সময় নিহতের লাশের পাশে পড়ে থাকা অবস্থায় একটি কাচি দা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নিহতের চাচাতো ভাই ও দেবীগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলতাফ হোসেন বলেন, খোকন সকালে বাড়ি থেকে বের হয়েছে ঘাস কাটার জন্য। পরে তার লাশ একটি ভুট্টা ক্ষেতের পাশে পাওয়া যায়। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
.png)
এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার এস এম সিরাজুল হুদা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), সহকারী পুলিশ সুপার (দেবীগঞ্জ সার্কেল) রুনা লায়লা, দেবীগঞ্জ থানার ওসি জামাল হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা। ঘটনার তথ্য উদঘাটনে ঘটনাস্থলে সিআইডি পঞ্চগড়ের একটি টিম কাজ করছে।
পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার বলেন, হত্যার রহস্য উদঘাটনের জন্য পুলিশ ও সিআইডির টিম কাজ করছে। তদন্ত করে বের করা হবে আত্মার পেছনে আসলে দায়ী কারা।