ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

শত্রুতার জেরে রাস্তার মাটি কেটে নেয়ায় পানিবন্দি ৯ পরিবার

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:১৩, ২৯ মে ২০২২
শত্রুতার জেরে রাস্তার মাটি কেটে নেয়ায় পানিবন্দি ৯ পরিবার
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে চলাচলের রাস্তা ভেকু দিয়ে গর্ত করে মাটি কেটে নিয়ে চলাচলের অনুপযোগী করে রেখেছে স্থানীয় প্রভাবশালী লস্কর হাজীর পরিবার। এতে পানিবন্দি হয়ে ৯টি পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেও প্রতিকার পায়নি তারা।

জানা গেছে, উপজেলার রূপনারায়নকুড়া ইউপির গাছগড়া গ্রামের আবেদ আলীর নামে দলিল মূলে পাখিয়াতলা মৌজায় ২২৪ নং দাগের ৬৭ শতাংশ জমিতে বসবান করেন আবেদ আলী। ৬ সন্তানসহ প্রায় ৪০ বছর যাবত বসবাস করে আসছে এ পরিবারটি। তাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তার আনুমানিক ৩ শতাংশ জমি স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি শুত্রুতাবশত এস্কেভেটর দিয়ে খনন করে ফেলেছে। রাস্তা খনন করার সময় ওই পরিবারের পুরুষ সদস্যরা কাজের জন্য অন্যত্র অবস্থান করছিল। রাস্তায় শুকনো মৌসুমে কোনোমতে জমির আইল দিয়ে চলাচল করতে পারলেও বর্ষা মৌসুমে প্রায় দুই ফুট পানি থাকে রাস্তায়। ফলে আবেদ আলীর ৬ সন্তানসহ মোট ৯টি পরিবারের স্ত্রী সন্তানসহ পানি বন্দি থাকে প্রায় ৬ মাস। ৯ পরিবারের ছেলে মেয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না বর্ষা মৌসুমে। যদিও যায় মূল সড়কে উঠে পোশাক বদলিয়ে যেতে হয়।

 পানিবন্দি হয়ে ৯ পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছেন। 

আবেদ আলী বলেন, হাজী লস্কর মিয়া ও তার সন্তানরা দীর্ঘদিন যাবত আমার ও আমার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে অন্যায়ভাবে অত্যাচার করে আসছে। আমার বাড়ি থেকে বাহির হওয়ার রাস্তা ভেকু দিয়ে খনন করে রেখেছে। আমরা বাড়ি থেকে বের হতে পারি না। আমরা গরিব মানুষ আমাদের কোনো জায়গা জমি নেই। 

অভিযুক্ত লস্কর হাজির ছেলে এবাদুলকে বারবার মোবাইলে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

রূপনারায়নকুড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান একই গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘ  দিন থেকেই লস্কর হাজী ও আবেদ আলীর পরিবারের মাঝে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। আমরা সামাজিকভাবে দ্বন্দ্ব মিটানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।

এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হেলেনা পারভীন বলেন, অভিযোগের বিষয়টি সুরাহা করার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আশা করি বিষয়টি সমাধান হয়ে যাবে।    

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: শেরপুর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!