ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

বিশেষ স্থানে পৌঁছে দুই দলে ভাগ হয়ে যেত ইয়াবা পাচারকারীরা

৩ বোন দিলেন চাঞ্চল্যকর তথ্য
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৩০, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২
বিশেষ স্থানে পৌঁছে দুই দলে ভাগ হয়ে যেত ইয়াবা পাচারকারীরা
৮ বোনের ইয়াবা পাচারের বিশেষ রুট

কক্সবাজার থেকে চকরিয়া। ফাশিয়াখালী-লামা-আলীকদম-বিলছড়ি-লোহাগাড়া হয়ে সাতকানিয়া। এরপর দুটি দলে বিভক্ত হয়ে একটি দল কেরানিরহাট-বান্দরবান চন্দ্রঘোনা-রাঙ্গুনিয়া হয়ে পৌঁছে যেতো হাটহাজারী। অন্যটি করতো চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে নজরদারি।

এভাবেই কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে ইয়াবা পাচার করে আসছিল আট বোনের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এর মধ্যে তিনজন র‍্যাবের হাতে আটকের পর বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য।

বৃহস্পতিবার বিকেলে হাটহাজারী থেকে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয় ১৮ হাজার ৬শ’ ইয়াবা।

আটককৃত তিন বোন

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার সদরের দক্ষিণ রুমালিয়া ছড়া এলাকার হোসেন আহম্মদের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ওরফে মনু ওরফে মনোয়ারা, একই এলাকার আব্দুর রহিমের স্ত্রী হালিমা বেগম ও জসিম উদ্দিনের স্ত্রী আসমাউল হুসনা।

র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে সুবিধাজনক রুট ব্যবহার করতো এ চক্র। অবলম্বন করতো অভিনব কৌশলও। সাধারণত নারীদের কেউ তেমন সন্দেহ করে না, তাই পরিবারের ছোট বাচ্চাদের নিয়ে বেড়ানোর ছলে ইয়াবা পাচার করতো। এ কাজে তাদের প্রধান হাতিয়ার ছিল সবজি। প্রথমে সবজির ওপরের অংশ কেটে ভেতরে খালি করতো, পরে সেখানে পলিথিন ব্যাগে মোড়ানো ইয়াবা লুকিয়ে টমেটোসহ অন্যান্য সবজির সঙ্গে পাচার করতো।

উদ্ধারকৃত ১৮ হাজার ৬শ’ ইয়াবা

তিনি আরো জানান, আট বোনের সবাই ইয়াবা কারবারের সঙ্গে জড়িত। এ কারবারের মূলহোতা ফাতেমা। দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার থেকে কম দামে ইয়াবা সংগ্রহ করে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট পাচার করে আসছিল তারা।

পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নিতে আটককৃতদের হাটহাজারী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!