ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

শরীয়তপুর কারাগারের জেলার প্রত্যাহার, ডেপুটি জেলার সাময়িক বরখাস্ত

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৪৫, ৮ এপ্রিল ২০২১
শরীয়তপুর কারাগারের জেলার প্রত্যাহার, ডেপুটি জেলার সাময়িক বরখাস্ত
শরীয়তপুর জেলা কারাগার

লিটন সিকদারের জামিনের কাগজে লিটন ফরাজি নামের আরেক আসামিকে মুক্তি দেয়ায় শরীয়তপুর জেলা কারাগার জেলার আমিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া ডেপুটি জেলার হোসেনুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় কারা মহাপরিদর্শক মোমিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি শরীয়তপুর জেলা কারাগারে পৌঁছায়। চিঠিতে জেলার আমিরুল ইসলামকে ঢাকা বিভাগীয় কারা উপ-মহাপরিদর্শকের দফতরে সংযুক্ত করার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শরীয়তপুর জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, লিটন ফরাজি ও লিটন সিকদার গোসাইরহাট থানার একটি চুরির ঘটনার মামলার আসামি। তারা রাজবাড়ী ও খুলনার দুটি মামলারও আসামি। ১১ মার্চ তাদের শরীয়তপুর জেলা কারাগারে আনা হয়। খুলনা ও রাজবাড়ীর মামলায় লিটন সিকদার জামিনে থাকলেও লিটন ফরাজি জামিনে ছিলেন না। ৪ এপ্রিল শরীয়তপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গোসাইরহাটের চুরির মামলায় তাদের জামিন দেয়। জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছালে কারা কর্তৃপক্ষ লিটন সিকদারের পরিবর্তে ভুলে লিটন ফরাজিকে মুক্তি দেয়। ভুক্তভোগী লিটন সিকদারের স্বজনরা বিষয়টি নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বললে ভুলের বিষয়টি তাদের নজরে আসে। পরে ৫ এপ্রিল রাতে লিটন সিকদারকে জেলা কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়।

আরো জানা গেছে, লিটন ফরাজি মুক্তির পর পরই পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় ৫ এপ্রিল পালং মডেল থানায় জিডি করেন শরীয়তপুর জেলা কারাগারের জেলার আমিরুল ইসলাম। ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান শরীয়তপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার গোলাম হোসেন। কারা কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্তের জন্য বরিশাল বিভাগের ডিআইজি (প্রিজন) টিপু সুলতানকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে। ৬ এপ্রিল শরীয়তপুর জেলা কারাগার পরিদর্শন ও ঘটনার তদন্ত করে কমিটি। ৭ এপ্রিল ডেপুটি জেলার হোসেনুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া জেলার আমিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে ঢাকা বিভাগীয় কারা উপ-মহাপরিদর্শকের দফতরে সংযুক্ত করা হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!