ঢাকা,  শনিবার   ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

রাস্তার পাশে আবর্জনার স্তূপ, দুর্গন্ধে নাকাল এলাকাবাসী

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি  
প্রকাশিত: ১৫:৫৪, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১
রাস্তার পাশে আবর্জনার স্তূপ, দুর্গন্ধে নাকাল এলাকাবাসী
দুর্গাপুর সড়কের পাশে ময়লা-আবর্জনার স্তুপের দুর্গন্ধের কারণে সড়কে চলাচলে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ও পথচারীরা।

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার দুর্গাপুর এলাকার কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে চলাচল করেছেন অথচ রাস্তায় ময়লা আবর্জনার স্তুপ দেখেননি, এরকম মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। দুর্গাপুর সড়কের পাশে ময়লা-আবর্জনার স্তুপের দুর্গন্ধের কারণে সড়কে চলাচলে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ও পথচারীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কুমারখালী পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা, বিষাক্ত বর্জ্য ফেলা হচ্ছে সড়ক বিভাগের জায়গায়। দুর্গাপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পাশে মাদারতলা নামক স্থানে পৌরসভার দুর্গন্ধ যুক্ত বিষাক্ত ময়লা ফেলা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এলাকার সব মানুষের চলাচলের প্রধান সড়ক এটি। এতে করে প্রতিদিন হাজার হাজার পথচারী, বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী, এলাকাবাসী ও বিশেষ করে শিশু-বৃদ্ধরা নিদারুণ কষ্টে স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে চলাচল করছে।

পথচারী মনিরুল ইসলাম বলেন, রাস্তার পাশে প্রতিনিয়ত এই দুর্গন্ধযুক্ত বিষাক্ত বর্জ্য ফেলা হয়। তীব্র, বিকট দুর্গন্ধে পেট ফুলে যায়। 

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন গৃহস্থালির বর্জ্য, গরু মরা, কুকুর মরা, ছাগল মরা, বাজারের মুরগি বর্জ্য এখানে ফেলা হয়। নাক চেপে ধরে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। প্রচণ্ড দুর্গন্ধে  অতিষ্ঠ। তাছাড়া এতে রোগবালাই ও  মশা-মাছি বেড়েছে। চরম বিপাকে আছেন।

 

মোস্তফা হোসেন বলেন, ফসলী মাঠের পাশে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যের সঙ্গে প্রতিদিন হাজার-হাজার পরিত্যক্ত পলিথিন ফেলা হচ্ছে। ময়লা-আবর্জনার স্তূপের পাশে ফসলী জমি। এতে করে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। একই কারণে মহাসড়কের পাশে থাকা অনেক গাছ মরে গেছে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বলেন, রাস্তায় ময়লা রাখার কারণে রাস্তা নষ্ট হচ্ছে। মানুষ চলাচল তো দূরের কথা যানবাহন চলাটাই কষ্টকর। ময়লার স্তূপের পাশেই রয়েছে ফায়ার স্টেশন ও মানুষের বসবাস। ময়লার দুর্গন্ধ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে এলাকাবাসী। রাস্তাটি দিনদিন মানুষ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দ্রুত পৌর মেয়র ব্যবস্থা না নিলে মানুষের ভোগান্তি শেষ থাকবে না।

কুমারখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এস. এম. শাহিনুর রহমান শাহীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। 

কুমারখালী পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপক পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম বলেন, শুধু পৌরসভার বর্জ্য নয় অন্য জায়গা থেকেও এই বর্জ্য রাতের আঁধারে রাখা হচ্ছে। এতে করে দুর্গন্ধ বেশি ছড়াচ্ছে।

কুমারখালী পৌরসভার মেয়র সামছুজ্জামান অরুণ বলেন, পৌরসভার বর্জ্য কোথাও না কোথাও তো ফেলতে হবে। যেখানেই ফেলি কিছু সমস্যা তো হবেই। যাই হোক পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সুবিধাজনক একটি জায়গা নির্ধারণ করা হবে। অতিসত্বর কাজ শুরু করবো ইনশাআল্লাহ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!