স্ত্রীর মরদেহ হাসপাতালে রেখেই পালালেন স্বামী
টাঙ্গাইলের নাগরপুর হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। রোববার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধূ লাভলী আক্তার উপজেলার কোকাদাইর গ্রামের মো. চাঁন মিয়ার মেয়ে এবং বনগ্রাম গ্রামের আরান আলীর ছেলে লুৎফরের স্ত্রী। তারা তিন সন্তানের জনক-জননী।
নাগরপুর থানার ওসি মো. আনিসুজ্জামান বলেন, নিহত লাভলী আক্তারকে বিষক্রিয়া জনিত চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বামী লুৎফর রহমান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূর মৃত্যু হলে স্বামী মরদেহ হাসপাতালে রেখেই পালিয়ে যান।
তিনি আরো বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। প্রাথমিকভাবে অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান বলেন, বিষ খাওয়া অবস্থায় লাভলী আক্তারকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে যথাসাধ্য চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারিনি।
নিহত লাভলীর ভাই ওমর ফারুক বলেন, দাম্পত্য কলহের জের ধরে তাকে প্রায়ই মারধর করতো। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার বিচার শালিসও হয়েছে। রোববার সকালে বোন ফোন দিয়ে তাকে মারপিট করার কথা জানায় ও বাড়িতে নিয়ে যেতে বলে। আনতে যাওয়ার পথেই খবর পাই বোন মারা গেছে। বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।