পাখির কলকাকলিতে মুখর পুন্ডুরিয়া
নানা রঙের পাখির কলকাকলিতে মুখর জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার পুন্ডুরিয়া গ্রাম। ভোরের আলোয় পাখির কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙে স্থানীয়দের। মনোমুগ্ধকর এমন দৃশ্য দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে পাখি প্রেমীরা ছুটে আসছেন প্রতিনিয়ত। যেদিকে চোখ যায় শুধু পাখি আর পাখি। সাদা বকে ছেয়ে আছে গাছপালা।
প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদফতর গ্রামটিকে পাখিদের জন্য অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়েছেন।
জানা গেছে ষাটের দশকে পুন্ডুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা ফয়েজ উদ্দীন মণ্ডলের পুকুর পাড়ের বিভিন্ন গাছে বাসা বাঁধে নানা প্রজাতির পাখি। এরপর থেকে পাখিদের প্রতি গ্রামের লোকজনের ভালবাসায় তারা খুঁজে পেয়েছে এক অভয়ারণ্য। পাখির অনাবিল ছুটাছুটি উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন নানা বয়সী মানুষ ।
গ্রামবাসী ও পর্যটকরা জানান, পাখিদের বিরক্ত বা পাখির ক্ষতি করার সুযোগ কাউকে দেয়া হয় না। গ্রামের মানুষ এ বিষয়ে সচেতন। তবে যাতায়াত ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় এখানে যেতে পাখি প্রেমীদের পড়তে হয় নানা বিড়ম্বনায়।
রায়কালী ইউপি চেয়ারম্যান শাহিনুর রহমান হামিদ বলেন, সরকারি উদ্যোগে পাখি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এই গ্রামটিকে পাখিদের অভয়াশ্রম হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেয়া উচিৎ। এতে পরিবেশের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাহফুজার রহমান বলেন, পুন্ডুরিয়া গ্রামের পাখিদের যেন কেউ শিকার করতে না পারে সে বিষয়ে সচেতন রয়েছি। পাখির সুরক্ষায় স্থানীয় পুলিশের এবং সংক্রমণের বিষয়ে প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের একটি টিম কাজ করছে। জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদফতর পাখিদের সংরক্ষণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে।
জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের তথ্য মতে, নয়নাভিরাম এই অভরায়ণ্যে ১০ প্রজাতির পাখি রয়েছে।