বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।
নিহতের ছেলে কবি নজরুল কলেজের ইন্টারমিডিয়েট শিক্ষার্থী হাসান আহামেদ বিশাল বলেন, গত ২৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রাণ সংরক্ষণের স্থানে কাজ করে রাতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সচিবালয়ের সামনে গিয়েছিলাম। আমার বাবা রেন্ট-এ-কারের গাড়ি চালাক। বেশিরভাগ সময় থাকেন পল্টনে। আমি সচিবালয়ের সামনে আছি শুনেতে পেয়ে আমাকে এগিয়ে আনতে যাওয়ার সময়ে ঐ সংঘর্ষের মাঝে পড়েন। সেখানে আনসারদের মারধরে আহত হন তিনি। পরে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
.png)
জানা গেছে, বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার দক্ষিণ বাজিকারেরখন্ড গ্রামের আব্দুস সোবাহান হাওলাদারের ছেলে শাহিন হাওলাদার। বর্তমানে খিলগাঁও দক্ষিণ গোড়ানে পরিবার নিয়ে থাকতেন। দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন তিনি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।