গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কারখানার মালিক মো. আনোয়ার হোসেন, ডিলার শাহ নেওয়াজ খান, বিক্রয়কর্মী মোরশেদুল ইসলাম, উৎপাদনকারী সবুজ মিয়া, মো. আরিফ এবং নকল টেস্টি স্যালাইন তৈরি কারখানার মালিক হানিফ মিনা।
এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়- ১ হাজার লিটারের পানি রাখার রিজার্ভ ট্যাংক, ৩টি ফিল্টার, ১টি অ্যারো মেশিন, ১ হাজার লিটারের বিশুদ্ধ পানির রিজার্ভ ট্যাংক, ৫০০ লিটার পানির হিটার মেশিন, কেমিক্যাল মিক্সার মেশিন, বোতল ফিলিং মেশিন, ৩০ কেজির কোকোনাট নাটা লিকুইড, আর্টিফিশিয়াল ফ্লেভার, নকল স্টিকার ও লেভেলযুক্ত বোতল, নকল স্টিকার সম্বলিত বোতল, প্যাকেটজাত করার হিট মেশিন এবং পানি মাপার মেশিন।
.png)
বুধবার রাজধানীর মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।
তিনি বলেন, রাজধানীর কদমতলীর মোহাম্মদবাগে সিরাজ ছৈয়ালের বাড়ি ভাড়া নিয়ে কারখানাটি করা হয়। সেখানে ভেজাল পানীয় তৈরি করে বাজারজাত করা হচ্ছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার অভিযানে চালানো হয়।
হারুন অর রশীদ বলেন, ড্রিংকো ও ফ্রুটোর মোড়ক নকল করে এগুলো বাজারজাত করা হচ্ছিল। তাতে মেশানো হচ্ছিল অনুমোদনহীন বিষাক্ত কেমিক্যাল। বাড়ির মালিক সিরাজের সহায়তায় গ্রেফতারকৃতরা এই ব্যবসা করে আসছিলেন।
গ্রেফতারকৃত আনোয়ার হোসেন এই কারখানার মালিক। এসব ভেজাল পণ্যের বিজ্ঞাপন ফেসবুকে দিয়ে বিক্রি করতেন তিনি। গত দুই বছর ধরে অনুমোদনহীন স্যাকারিন, পানি, আর্টিফিশিয়াল ফ্লেবার, মানহীন কেমিক্যাল দিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এসব পানীয় তৈরি করছিলেন আনোয়ার হোসেন। অপরদিকে গ্রেফতারকৃত হানিফ মিনা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়া, চিনি, গ্লুকোজ ও মানহীন কেমিক্যাল দিয়ে ভেজাল টেস্টি স্যালাইন তৈরি করে বাজারজাত করে আসছিলেন।
গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিবিপ্রধান বলেন, এসব ভেজাল পণ্য ফরিদপুর, চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করছিলেন তারা। রাজধানীর মিটফোর্ড এলাকা থেকে তারা কাঁচামাল ও লোগো সংগ্রহ করতেন।