রোববার বিকেলে সাড়ে তিনটার দিকে সাংবাদিকদের সাইফুল ইসলাম জানিয়েছিন, মুশতাক মানসিকভাবে অসুস্থ।
তিনি বলেন, আমাকে এবং আমার ছোট মেয়েকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করতে ডিবি অফিসে এসেছি।
.png)
তিশার বাবা বলেন, আমাকে গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টার পর এক নম্বর থেকে কল আসে। সে বলে আপনি যদি তিশার বিষয়ে কথা বলেন আপনি এবং আপনার মেয়েকে মেরে ফেলা হবে।

তিশাকে উদ্দেশ্য করে সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি মুশতাকের ছায়াটাও দেখতে চাই না। মুশতাকের নামটা শুনলে আমার ওজুটাও নষ্ট হয়ে যায়। আম্মু তুমি আমার কাছে ফিরে এসো, কোনো কারণে যদি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়, সেটার আবার লাইনে তুলে সামনে আগানো যায়। তুমি আমার কাছে ফিরে এসো, মুশতাকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।
তিনি বলেন, একটা মেয়ে কতটা জিম্মি হলে বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে। তিশাকে খুব রেস্ট্রিকসনে রাখে, তাকে মোবাইলেও কথা বলতে দেয় না। কথা বলতে দিলে মুশতাক পাশে বসে থাকে। একদিন আমার স্ত্রী তিশাকে বলছিল, মুশতাকের কাছ থেকে না এলে তোমার জীবনটা ধ্বংস হয়ে যাবে। জবাবে তিশা বলে, আম্মু আমার অনেক অশ্লীল ছবি মুশতাকের কাছে আছে। ছবিগুলো ফিরিয়ে দিলে লাথি দিয়ে চলে আসতাম।

এদিকে বৃহস্পতিবার আলোচিত এ দম্পতিকে জ্ঞানপাপী, ভণ্ড, কু-শিক্ষিত, সমাজ বিরোধী, যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী, তরুণ প্রজন্ম ধ্বংসকারী, প্রতারক ও সভ্যতা বিরোধী লোক বলে মন্তব্য করে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. তানভীরুল ইসলাম।