রোববার খলিল বলেন, ৫৯০ টাকা কেজি গরুর মাংস বিক্রি করেছি দুই মাস। আর ৬৫০ টাকা বিক্রি করছি ১০ থেকে ১২ দিন ধরে। আমার বিক্রি একটু বেশি।
তিনি আরো বলেন, টাটকা-টাটকা ও অন্যদের তুলনায় বেশি বিক্রির কারণে আমার পোষায়। কম দামে মাংস বিক্রি করলে, কম লাভে আমার পোষায়। আর ক্রেতা বেশি হওয়ার কারণে আমি কম দামে মাংস বিক্রি করি।
.png)
এর আগে, ১৮ জানুয়ারি রাজধানীতে কম দামে গরুর মাংস বিক্রির কারণে ব্যবসায়ী খলিল ও তার ছেলেকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ২০ জানুয়ারি শাহজাহানপুর থানায় জিডি করেন তিনি। পরে শনিবার রাতে ঢাকার আশুলিয়া থেকে হত্যার হুমকিদাতা ও নির্দেশদাতাকে আটক করে র্যাব। আটককৃতরা হলেন- নুরুল হক ও মোহাম্মদ ইমন।
রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
তিনি বলেন, গত ১৮ জানুয়ারি আলোচিত মাংস ব্যবসায়ী খলিলুর রহমানের মোবাইলে একটি নম্বর থেকে কল করে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং কম দামে মাংস বিক্রি করলে তাকে ও তার ছেলেকে দুই দিনের মধ্যে গুলি করে হত্যার হুমকিসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এছাড়া খলিল এবং তার ছেলেকে হত্যার জন্য গুলি ও পিস্তল রেডি করা হয়েছে জানিয়ে তার মোবাইল ফোনে পিস্তল, গুলি, রামদা এবং মাথা ছাড়া লাশের ছবি পাঠিয়ে ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এরপর ব্যবসায়ী খলিল ২০ জানুয়ারি শাহাজাহানপুর থানায় জিডি করেন। এ ঘটনায় গোপন নজরদারির ধারাবাহিকতায় আশুলিয়া থেকে খলিলকে হুমকিদাতা এবং নির্দেশদাতাকে আটক করা হয়েছে।