বুধবার শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের সহকারী পরিচালক প্রদীপ কুমার সরকার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উড়োজাহাজটির ৩২-এ সিটে তল্লাশি করা হয়। ঐ সিটের যাত্রী হাফিজ হাসানের সামনের সিটের ব্যাক পকেটে সাদা স্কচ টেপে মোড়ানো অবস্থায় সোনার বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সোনা (যাত্রীসহ) গ্রিন চ্যানেলের ইনভেন্ট্রি টেবিলে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে খোলা হয়। গণনা করে ৩২টি সোনার বার পাওয়া যায়। যার ওজন ৩ কেজি ৭১২ গ্রাম।
.png)
পরবর্তীতে ঐ যাত্রীর দেহ তল্লাশি করে আরো ৯৮ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত সোনার মোট ওজন ৩ কেজি ৮১০ গ্রাম।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধারকৃত সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করে বিমানবন্দর থানায় ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।