সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ও রাত ১০টার দিকে পৃথক এ দুটি ঘটনা ঘটে। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শিহাব বাহাদুর জানান, খিলগাঁও দক্ষিণ নন্দীপাড়া এলাকার একটি টিনশেড বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় আব্দুর রহিমকে উদ্ধার করে। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিলে রাত ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে এসআই শিহাব আরো জানান, রহিমের স্ত্রী জাকিয়া বেগম জর্ডান প্রবাসী। ১০ থেকে ১৫ দিন আগে তিনি দেশে ফেরেন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্বামীর ওপর অভিমান করে স্ত্রী তার বড় বোনের বাসা মিরপুরে যান। এরপরই সন্ধ্যায় গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দেন রহিম।
রহিম শরিয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুরা গ্রামের রফিজ উদ্দিনের সন্তান। বর্তমানে খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ নন্দীপাড়ার একটি টিনশেড বাসায় ভাড়া থাকতেন। পেশায় তিনি সিএনজি অটোরিকশা চালক ছিলেন।
অন্যদিকে, রাত ১০টার দিকে মধ্য বাড্ডার বউবাজার এলাকায় সাদমান ইসলাম রাতুল নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত পৌনে ১২টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাদমানের ভাই রাফিন জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে নিজের রুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে ফাঁস দেন সাদমান। পরে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সাদমান বউবাজার এলাকার বাসিন্দা কামরুল ইসলামের সন্তান।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া ২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ঢামেক হাসপাতালে জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।