বুধবার সকাল ৯ টার দিকে মুগদা থেকে ও বিকেল ৩টার দিকে সবুজবাগ থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
মুগদা থানার এসআই শেখ এনামুল করিম জানান, আমরা খরর পেয়ে সকালের দিকে দক্ষিণ মুগদার নুরজাহান ভিলার একটি বাসা থেকে মিতু রানী দাস নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
.png)
তিনি আরো বলেন, নিহতের স্বামী কুয়েত প্রবাসী। তার প্রিয়রানী দাস নামে একটি মেয়ে রয়েছে। গৃহবধূ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। সকালে তার শাশুড়ি নাতনিকে নিয়ে স্কুলে যায়। পরে বাসায় ফিরে দেখে রুমে দরজা বন্ধ। বিষয়টি বাড়িওয়ালাকে জানালে তিনি রুমের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে দেখতে পান। বিষয়টি রহস্যজনক হওয়ায় আমরা গৃহবধূর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি আমাদের হেফাজতে রেখেছি। ময়নাতদন্ত শেষে প্রতিবেদন রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
অপর দিকে সবুজবাগ থেকে আয়েশা বেগম নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সবুজবাগ থানার এসআই রুবিনা আওয়াল বলেন, আমরা খবর পেয়ে সবুজবাগের আহমেদবাগ ১২০ নম্বর বাসা থেকে আয়েশা বেগম নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তে জন্য মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তিনি ফাঁস দেন। পরে আমরা ঘটনার স্থল গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। ময়নাতদন্ত শেষে প্রতিবেদন রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।