বুধবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ১০টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এ জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় মোট ৫৩৮টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করা হয়েছে।
অঞ্চল-১ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মনজুরুল হক ধানমন্ডি ৯/এ এলাকার ৫১ নম্বর হোল্ডিংস্থিত প্রয়াত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ‘বৈভ্রাজ’ নামক বাসভবনের চারপাশে ও বাসার চাদে মশার লার্ভা পান। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি প্রয়াত ডা. জাফরুল্লাহর চৌধুরীর বাসায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় তার ছেলে বারীষ হাসান চৌধুরীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
.png)
এছাড়া দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন খিলগাঁও, মায়াকানন, ঝাউচর, হাজারীবাগ, ঝিগাতলা, টিকাটুলি, পশ্চিম নন্দীপাড়া, উত্তর মান্ডা, কাজীরগাঁও, কুতুবখালী, মেরাজনগর ও জিয়া সরণি এলাকায় আরো ৯টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
বুধবার দুই নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর-আল-নাসীফ ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মায়াকানন এলাকায় ৪১টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করেন। আদালত এ সময় কোনো স্থাপনায় মশার লার্ভা পায়নি।
এছাড়াও দুই নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আর এম শাহনেওয়াজ ১ নম্বর ওয়ার্ডের খিলগাঁও এলাকায় ৫০টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করেন। আদালত এ সময় কোনো স্থাপনায় মশার লার্ভা পায়নি।
তিন নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তায়েব-উর-রহমান ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঝাউচরের শাজাহান মার্কেট এর স্বপ্ন ডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় ১০৮টি স্থাপনা পরিদর্শন করেন। আদালত এ সময় ব্যক্তি মালিকানার ৩টি নির্মাণাধীন ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় ৩ মামলায় এক লাখ ৬০ হাজার জরিমানা আদায় করেন।
তাছাড়া তিন নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকন্দ মোহাম্মদ ফয়সাল উদ্দিন ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ঝিগাতলা এলাকায় ৩১টি স্থাপনা পরিদর্শন করেন। আদালত এ সময় কোনো স্থাপনায় মশার লার্ভা পায়নি।
পাঁচ নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নজরুল ইসলাম ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের টিকাটুলি ও হাটখোলা এলাকায় ৪৫টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং ২টি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ২ মামলায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
ছয় নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহরিয়ার হক ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম নন্দীপাড়া এলাকায় ৬০টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং ২টি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ২ মামলায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অঞ্চল-৭ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাওসীফ রহমান ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মান্ডা এলাকায় ৩০টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং ১টি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ১ মামলায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
নয় নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীরগাঁও এলাকায় ৩৮টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং একটি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ১ মামলায় ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
দশ নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা ৫৯, ৬০ ও ৬১ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুবখালী, মেরাজনগর ও জিয়া সরণি এলাকায় ৮৫টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং ৩টি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ৩ মামলায় ৮২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।