ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

ডিএনসিসির মশক নিধন অভিযানে সাড়ে ৫ লাখ জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০:৪৪, ১৮ জুলাই ২০২৩
ডিএনসিসির মশক নিধন অভিযানে সাড়ে ৫ লাখ জরিমানা
ছবি: সংগৃহীত

মশার বিরুদ্ধে মাসব্যাপী পরিচালিত বিশেষ নিধন অভিযানে ১৫ মামলায় ৫ লাখ ৬২ হাজার টাকা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি)।

মঙ্গলবার অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন বায়তুল আমান ও মনসুরাবাদ এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বির আহমেদ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাসির উদ্দিন মাহমুদ বিশেষ মশক নিধন অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

অভিযানে ৪টি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৪টি মামলায় মোট ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

Advertisement

অঞ্চল-৩ এর আওতাধীন বনশ্রী ও রামপুরা এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলকার নায়ন অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে বাসা বাড়ি, বাণিজ্যিক ভবন ও নির্মানাধীন ভবনে, ফাঁকা প্লট, ড্রেন, ঝোপঝাঁড়ে মশক বিরোধী অভিযানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ২টি ভবন মালিককে ২টি মামলায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অঞ্চল ১ ও ৭ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরীন উত্তরা ৭নং সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ৩টি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৩টি মামলায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ডিএনসিসির অঞ্চল-৬ এর আওতাধীন উত্তরা এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল বাকী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় ৩টি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৩ মামলায় ২২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। 

এছাড়া অঞ্চল-৪ এর আওতাধীন এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবেদ আলী এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে প্রায় ৯০টি ভবন, স্থাপনা, জলাশয়, রেস্টুরেন্ট ও দোকানপাট পরিদর্শন করা হয়েছে। ২টি নির্মাণাধীন ভবনে লার্ভা পাওয়ায় ২টি মামলায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। লার্ভা ধ্বংস করা হয়েছে।

অঞ্চল-৯ এর আওতাধীন এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল বাসেত অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ভবন, স্থাপনা, জলাশয়, রেস্টুরেন্ট ও দোকানপাটসহ মোট ২৩৮টি স্পট পরিদর্শন করা হয়। একটি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

এছাড়াও ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে. জেনা. এ কে এম শফিকুর রহমান এবং সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে লিফলেট বিতরণ করেন। সেই সঙ্গে মাইকিং করে জনসাধারণকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সচেতন করা হয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা করা হয়। বাংলাদেশ স্কাউট ও বিএনসিসির সদস্যরাও ডিএনসিসির কর্মীদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

উল্লেখ্য, মাসব্যাপী বিশেষ মশক নিধন অভিযান তদারকির জন্য সব বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ১০টি টিম গঠন করা হয়েছে। ১০ টিম প্রতিদিন চলমান অভিযান তদারকি করছে।
 

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএইচ
ট্যাগ: ডিএনসিসি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!