বিষয়টি নিশ্চিত করে তুরাগ থানার ওসি মো. মওদুত হাওলাদার বলেন, মঙ্গলবার তুরাগে বাউনিয়া এলাকা থেকে ফাতেমা আক্তার নামে ঐ নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুরিশ। এ ঘটনায় তার চতুর্থ স্বামী সাইফুল ইসলাম রানাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ঐ নারী রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনা পশ্চিম পাড়ার মো. মুক্ত মিয়ার মেয়ে। বাউনিয়ার বাসাটিতে তিনি একাই থাকতেন। তার স্বামী যাতায়াত করতেন।
.png)
পুলিশ জানায়, তুরাগের বাউনিয়া পশ্চিম মইশাগার এলাকার হায়দারের ভাড়া বাসা থেকে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে মরদেহের সন্ধান পায় পুলিশ। পরে থানা পুলিশ ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহের পর দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ওসি মওদুত হাওলাদার বলেন, ফাতেমা আক্তারকে হত্যার ঘটনায় তার ভাই বাদী হয়ে ঐদিনই একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় তার চতুর্থ স্বামী সাইফুল ইসলামকে আসামি করা হয়।
তিনি বলেন, গ্রেফতার সাইফুল ইসলাম রানাকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে আগামীকাল (শুক্রবার) আদালতে পাঠানো হবে।
হত্যার ঘটনার পর ঘটনাস্থলের আশপাশের বাসিন্দারা জানায়, দরজার নিচ থেকে রক্ত রুমের বাহিরে চলে আসে। রুমের ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহ পরে থাকতে দেখে পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির কেয়ারটেকার মো. আলাল দেওয়ানকে আটক করেছে পুলিশ।
এলাকাবাসী আরো জানায়, দুই মাস আগে বাসাটি ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন ফাতেমা ও তার স্বামী। তবে তার স্বামী নিয়মিত থাকতেন না, আসা-যাওয়া করতেন।