পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর মহাজন কাওসার সাংবাদিকদের বলেন, ঈদের আগের এ সময়টায় জাল নোটের চাহিদা বেশি থাকে। টার্গেট মূলত ফুটপাতের দোকানিরা। তিনি আরো বলেন, সবেমাত্র জাল টাকা তৈরি করেছি। এরই মধ্যে আমি গ্রেফতার হয়েছি। আমি আর এ কাজ করবো না।
এর আগেও এই কথা বলেছেন, আবার জেলেও গিয়েছেন। জেল থেকে বের হয়ে আবার এই ব্যবসা শুরু করেছেন— এমন প্রশ্নে কাওসার বলেন, ভুল হয়েছে। আর করবো না। যখনই সবকিছু গুছিয়ে আনি, তখনই গ্রেফতার হয়ে যাই। আর করবো না। এ ব্যবসা আমার সুট হয় না ভাই।
.png)
রোববার সকালে রাজধানীর ধলপুরের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুই সহযোগীসহ কাওসারকে গ্রেফতার করা হয়।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. হারুন অর রশিদ জানান, ঈদুল ফিতর সামনে রেখে অন্তত তিন কোটি জাল টাকা বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল এই চক্রের।
তিনি বলেন, এক লাখ জাল টাকা পাইকারি বাজারে বিক্রি হয় ৮ থেকে ১৫ হাজার টাকা। ফুটপাতের দোকানিদের টার্গেট করে অভিনব কায়দায় ছড়িয়ে দেওয়া হয় নকল টাকা।
মো. হারুন অর রশিদ বলেন, রাজধানীর ধলপুরের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগ ৬৫ লাখ জাল টাকা এবং কয়েক কোটি টাকা ছাপানোর উপকরণ জব্দ করেছে।
এখন পর্যন্ত যত জাল টাকার কারবারি গ্রেফতার হয়েছে, সবাই একাধিক মামলার আসামি। জাল টাকার কোনো কোনো মহাজনের বিরুদ্ধে মামলা আছে ডজনেরও বেশি। বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় কারাগারে গিয়ে লাখ লাখ টাকা খরচ করে তারা জামিনে বেরিয়ে আবারো জড়ায় একই পেশায় বলে জানান এ কর্মকর্তা।