ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

বার বার রাজধানীতেই কেন বিস্ফোরণ, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১:০৬, ৭ মার্চ ২০২৩
বার বার রাজধানীতেই কেন বিস্ফোরণ, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা
রাজধানীর গুলিস্তান ও সাইন্সল্যাবে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের চিত্র। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজধানীর গুলিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো শতাধিক। এদের অনেককেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে আজকের বিস্ফোরণ সম্পর্কে জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষক ও নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক আকতার মাহমুদ খান।

তিনি বলেন, বছরের এ সময়ে নানা জায়গায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। আমার কাছে মনে হয়, যে বিল্ডিংগুলো আমরা করছি সেখানে অনেক বেশি এসির ব্যবহার হচ্ছে। চারদিকে বন্ধ করে এসি চালানোর যে ব্যবস্থা, তাতে করে ভেতরে গ্যাস তৈরি হচ্ছে। যদি ভেতরে গ্যাসের লিকেজ থাকে, সেটি আটকে যায়। ফলে যেকোনো সময় আগুন জ্বালালে অথবা বোর্ডের সুইচ দিলে বিস্ফোরণ ঘটে।

Advertisement

অধ্যাপক আকতার মাহমুদ খান বলেন, এসি বা এ জাতীয় পণ্য ব্যবহারকারীদের এসব বিষয়ে বিরাট সচেতনতার বিষয় আছে। গ্যাসের লিকেজ হয় বা হচ্ছে; অনেক সময় বোঝা যায় আবার অনেক সময় যায় না। কিন্তু বিষয়গুলো নজরে রাখা দরকার। সরকারি লাইনের বাইরে যে গ্যাসের লাইন আছে সেগুলোয় প্রচুর লিকেজ বা ত্রুটি থাকে। এসব গ্যাস লাইনের নির্ভরযোগ্য নকশা যেমন প্রয়োজন; তেমনি যারা লাইন দিচ্ছেন তাদেরও বিষয়গুলো নিয়মিতভাবে পরিদর্শন করা জরুরি।

তিনি বলেন, বিল্ডিং ডিজাইনেও পরিবর্তন আনা দরকার। আমরা একেবারে একটা ট্রপিক্যাল রিজিওনে থাকি, এখানে আলো-বাতাস আছে। কিন্তু আমরা সব বিল্ডিংকে এমনভাবে তৈরি করছি যেখানে আলো-বাতাস ঢোকার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। বিল্ডিংয়ের গায়ে গায়ে লাগোয়া বিল্ডিং করা হয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে নিম্নমানের বৈদ্যুতিক সংযোগ, গ্যাস লাইনের সমস্যা। এ অবস্থায় জনগণের সচেতনতা ও সঠিক বিল্ডিং রেগুলেশন ছাড়া কোনোভাবেই বন্ধ করা যাবে না।

মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় ৪০ মিনিটে সিদ্দিক বাজার এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটে। গত ৫ মার্চ রাজধানীর সাইন্সল্যাব এলাকার একটি ভবনে বিস্ফোরণ হয়। এ ঘটনায় নিহত হন তিনজন, আহত হন ১৪ জন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!