বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, গ্রেফতারদের জনশক্তি রফতানির কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই। তবুও তারা ভিকটিমদের কাছ থেকে সৌদি আরবে উচ্চ বেতনে চাকরি, বছরে দুটি বোনাস, থাকা খাওয়া ফ্রিসহ চাকরি দেওয়ার লোভনীয় কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
.png)
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, সৌদি আরবে পাঠানোর পর সেখানে অবস্থিত তাদের সহযোগীদের মাধ্যমে ভিকটিমদের জিম্মি করে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে মুক্তিপণের জন্য অর্থ দাবি করত। এভাবে চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকার লোকজনকে প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে মানবপাচারের মাধ্যমে প্রতারণা করে আসছে।
তিনি আরো বলেন, গ্রেফতাররা সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য। এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে র্যাবের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।