ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

[ ক্যাম্পাস ]

২১তম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আজ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:৫২, ২০ অক্টোবর ২০২৬
২১তম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আজ
ছবি সংগৃহীত

পুরান ঢাকার সদরঘাট, বাহাদুর শাহ পার্ক আর বুড়িগঙ্গার সান্নিধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেবল একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; এটি বাংলাদেশের শিক্ষা, সামাজিক পরিবর্তন ও রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। ১৮৫৮ সালে ঢাকা ব্রাহ্ম স্কুল হিসেবে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি সময়ের পরিক্রমায় স্কুল থেকে কলেজ এবং কলেজ থেকে পূর্ণাঙ্গ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়েছে। ২০২৬ সালে প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাস ১৬৮ বছরে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ২০০৫ সালের ২০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরুর পর আজ ২১ বছর পূর্ণ করে ২২ বছরে পদার্পণ করছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

দেড় শতাব্দীরও বেশি সময়ের এই পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি যেমন অসংখ্য শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণে ভূমিকা রেখেছে, তেমনি ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসেও নিজের অবস্থান তৈরি করেছে। তবে ঐতিহ্য ও অর্জনের পাশাপাশি আবাসনসংকট, সীমিত ক্যাম্পাস, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির সামনে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের সূচনা ১৮৫৮ সালে ‘ঢাকা ব্রাহ্ম স্কুল’ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। দীননাথ সেন, প্রভাতীচরণ রায়, অনাথবন্ধু মল্লিক ও ব্রজসুন্দর কৈত্রের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি তৎকালীন ঢাকায় শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করে।
পরবর্তী সময়ে বালিয়াটির জমিদার কিশোরীলাল রায় চৌধুরী প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৮৭২ সালে তিনি তাঁর বাবা জগন্নাথ রায় চৌধুরীর নাম অনুসারে বিদ্যালয়টির নাম রাখেন ‘জগন্নাথ স্কুল’। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা ও উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটির বিকাশের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

শিক্ষার পরিসর সম্প্রসারণের ধারাবাহিকতায় ১৮৮৪ সালে জগন্নাথ স্কুলকে কলেজে উন্নীত করা হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি মাধ্যমিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে উচ্চশিক্ষার পরিসরে প্রবেশ করে। ১৮৮৭ সালে স্কুল ও কলেজের কার্যক্রম পৃথক হয়ে যায়। স্কুল বিভাগটি ‘কিশোরী জুবিলি স্কুল’ নামে স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে, যা পরবর্তী সময়ে কে এল জুবিলি স্কুল নামে পরিচিত হয়। অন্যদিকে, জগন্নাথ কলেজ উচ্চশিক্ষার কার্যক্রম অব্যাহত রাখে।

১৯০৭ সালে কলেজটির পরিচালনার দায়িত্ব ট্রাস্টি বোর্ডের হাতে ন্যস্ত হয়। পরের বছর, ১৯০৮ সালে এটি প্রথম শ্রেণির কলেজে উন্নীত হয়। ইংরেজি, দর্শন, সংস্কৃতসহ বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারিত হওয়ায় জগন্নাথ কলেজ ঢাকার শিক্ষাঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান অর্জন করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় জগন্নাথ কলেজের অবদান-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাসেও জগন্নাথ কলেজের অবদান উল্লেখযোগ্য। ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলে এর প্রাথমিক একাডেমিক কাঠামো গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে জগন্নাথ কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গ্রন্থাগারের সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের ৩০৩ জন শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত হন। পাশাপাশি কলেজটির শিক্ষক এবং গ্রন্থাগারের বইপত্রও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দেওয়া হয়। ফলে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় জগন্নাথ কলেজের অবদান ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর জগন্নাথ কলেজের উচ্চশিক্ষার পরিসরে পরিবর্তন আসে। ডিগ্রি পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে প্রতিষ্ঠানটি ‘জগন্নাথ ইন্টারমিডিয়েট কলেজ’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে কলেজটি আবার উচ্চশিক্ষার কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আবাসিক হলের নাম ‘জগন্নাথ হল’ হওয়াও এই ঐতিহাসিক সংযোগের স্মারক হিসেবে পরিচিত।

জগন্নাথ কলেজের ইতিহাস বাংলাদেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। ভাষাশহীদ রফিক উদ্দিন আহমদ ছিলেন জগন্নাথ কলেজের শিক্ষার্থী। পাকিস্তানি শাসনামলে বাঙালির স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলনেও এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যুক্ত ছিলেন।

১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে যুক্ত হন।

প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকে। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভূমিকা রাখেন। শিক্ষার পরিবেশ, গণতান্ত্রিক অধিকার, আবাসনসংকট এবং শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলন প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যুক্ত করেছে।

জগন্নাথ কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবি দীর্ঘদিনের। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণের প্রত্যাশা থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলে এ দাবি ক্রমেই জোরালো হয়।

১৯৯৫ সালের ২ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ২০০৪ সালের ৬ নভেম্বর একনেকের সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প অনুমোদন পায়।

অবশেষে ২০০৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫’ পাস হয়। একই বছরের ২০ অক্টোবর আইনটি কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে জগন্নাথ কলেজ পূর্ণাঙ্গ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। ২০০৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম খান বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান।

বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রার শুরুতে চারটি অনুষদের অধীনে ২০টি বিভাগ নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে নতুন অনুষদ, বিভাগ ও ইনস্টিটিউট যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে একাডেমিক পরিসর বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে কলা, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন, জীবন ও ভূবিজ্ঞান এবং চারুকলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে।
দ্বিতীয় ক্যাম্পাস: নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ দীর্ঘদিনের আবাসনসংকট ও সীমিত ক্যাম্পাস। পুরান ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত মূল ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসন, শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার, খেলার মাঠ ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এই সংকট নিরসনে কেরানীগঞ্জে প্রায় ২০০ একর জমিতে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৭ সালে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায়। তবে নানা জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন প্রত্যাশিত গতিতে এগোয়নি। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও দাবি-দাওয়াও ছিল দীর্ঘদিনের।

দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের আবাসন, শিক্ষা, গবেষণা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সুযোগ বাড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া, নির্ধারিত সময়ে অবকাঠামো নির্মাণ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহারোপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করাই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
আবাসনসংকট: দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বাস্তবতা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসনসংকটের শিকড় জগন্নাথ কলেজের সময়কার ছাত্রাবাসগুলোর ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত। একসময় পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকা ছাত্রাবাসগুলোতে শিক্ষার্থীরা বসবাস করতেন। কিন্তু আশির দশকে একাধিক ছাত্রাবাস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের আবাসনসুবিধা সংকুচিত হয়।

তিব্বত হল, শহীদ আজমল হোসেন হল, শহীদ শাহাবুদ্দিন হল, শহীদ আনোয়ার শফিক হল, ড. হাবিবুর রহমান হল ও নজরুল ইসলাম হলসহ বিভিন্ন ছাত্রাবাস ঘিরে দখল, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারসংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়। ২০০৫ সালে কলেজটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হলেও শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকটের স্থায়ী সমাধান হয়নি।

হল উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করেছেন। পরবর্তী সময়ে ছাত্রীদের আবাসনের জন্য একটি হল প্রতিষ্ঠা করা হয়। পাশাপাশি মূল ক্যাম্পাসে বাণী ভবন ও ড. হাবিবুর রহমান ভবনকে আবাসিক হল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে শিক্ষার্থীর সংখ্যার তুলনায় আবাসনসুবিধা এখনো সীমিত। ফলে অনেক শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসের বাইরে বাসা বা মেসে থেকে পড়াশোনা করতে হচ্ছে। এতে তাঁদের বাড়তি আর্থিক ব্যয় বহনের পাশাপাশি যাতায়াতেও সময় ব্যয় হয়। তাই আবাসনসংকট নিরসন শুধু অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয় নয়; এটি শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রা, নিরাপত্তা ও শিক্ষার মানের সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।

১৮৫৮ সালের একটি বিদ্যালয় থেকে ২০০৫ সালের পূর্ণাঙ্গ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়—জগন্নাথের এই দীর্ঘ পথচলা বাংলাদেশের শিক্ষার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সময়ের পরিবর্তন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবদান, উচ্চশিক্ষার বিস্তার এবং আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করেছে স্বতন্ত্র পরিচয়।

আজ ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যেমন রয়েছে অতীতের অর্জন উদ্‌যাপনের উপলক্ষ, তেমনি রয়েছে ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রত্যাশা। মানসম্মত শিক্ষা, গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ, আবাসনসংকট নিরসন এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে থাকা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ। ইতিহাসের গৌরবকে ধারণ করে আধুনিক ও গবেষণানির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশাই বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জবি/এসআই
ক্যাম্পাস জনপ্রিয় খবর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!