গণহত্যার মদদদাতা হিসেবে আক্তারুজ্জামানের বিচারের দাবি: রাশেদ খান
মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানকে ‘বীর’ হিসেবে আখ্যায়িত করায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তাঁর দাবি, আক্তারুজ্জামানকে বীর হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির কার্যত ২০২৪ সালের গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এসব মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে একই ধরনের প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে।
.png)
রাশেদ খান দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের এক মাসের মাথায় জামায়াত আমির আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এর মাধ্যমে ২০২৪ সালের আন্দোলনে গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদেরও কি ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছিল?
তিনি আরও বলেন, মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানের প্রতি যে ধরনের সহানুভূতি দেখানো হচ্ছে, ভবিষ্যতে শেখ হাসিনার প্রতিও একই ধরনের অবস্থান নেওয়া হতে পারে।
রাশেদ খানের অভিযোগ, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের বিতর্কিত ভূমিকার কারণেই দলটি ২০২৪ সালের গণহত্যার বিষয়টিকেও গুরুত্বহীনভাবে দেখছে। মেজর আক্তারুজ্জামানের প্রতি জামায়াত আমির ও দলটির নেতাকর্মীদের সহানুভূতিকে তিনি এর উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।
মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের গণহত্যায় মদদ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খান। এ ধরনের মামলা হলে জামায়াত কীভাবে তা মোকাবিলা করবে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।
এদিকে আক্তারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের পর জামায়াতে ইসলামী তাঁর মুক্তির দাবি জানিয়েছে। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।