রইস মনরম -এর তিনটি কবিতা
কারে দেখি
বর্ষণ শেষে চঞ্চলা বৃষ্টি মেয়েরা এখন
অপরূপ দর্শনধারী, কোমলমতি যুবতী;
জড়াজড়ি জল, ঢলো ঢলো শরীর, টলোমলো আঁখি।
.png)
রাতের নিরলে হাওরের জলে চাঁদের মাখামাখি,
হাস্যে লাস্যে সোনালি রূপালি সখি; ঝলোমলো জোছনা...
আমি বিহ্বল চেয়ে থাকি
কারে দেখি!
আমি কারে দেখি?
সে কি দেখছে আমাকে
ধান ক্ষেতটির পূবের আলের পূব পাশে
আমার ঘরের খিড়কী দরোজা।
আলের ঘাস ঘাসরার সাথেই কয়েকটি কচু গাছ।
একটির বড় পাতাটির ডাঁটাটি একটু হেলে রয়েছে পশ্চিম দিকে।
লীলুয়া বাতাসে একটু একটু নড়ছে, একবার ডানে একবার বামে, নির্দিষ্ট একটি ছন্দ তালে।
বৃষ্টি এলো।
প্রথম ফোঁটায় শিহরিত।
বৃষ্টি ঘন হলে দ্রুত লয়ে পাতাটি নাচতে শুরু করলো। আমি তার বৃষ্টি-মধুর নাচ দেখছি।
সে কি দেখছে আমাকে?
তোমার সঙ্গে বলবো কথা
ছেলে বেলার রঙিন মার্বেল
হারিয়ে গেলো কোথায় কোন গর্তে,
তোমার সঙ্গে বলবো কথা খুঁজে দেয়ার শর্তে।
নীল আকাশে চিলঘুড়ি,
ঘুড়ির সাথে আমিও উড়ি।
কখন যে সূতো গেলো ছিঁড়ে......
এলাম আবার সেই আকাশে ফিরে।
এই যে খোকা, দেবে একটু লাটাইখানি ধরতে।
তোমার সাথে বলবো কথা
চিলঘুড়িটা
খুঁজে দেয়ার শর্তে।
খালে বিলে লাই খেলা,
সকাল বিকাল সারা বেলা।
কখন যে উঠে এলাম তীরে......
কিশোর বেলা হাঁটছে ধীরে ধীরে।
এইযে কিশোর নেবে সাথে
লুকোচুরি খেলতে।
তোমার সাথে বলবো কথা
দুষ্টুমিটা
ভাগাভাগি করতে।
ছেলে বেলার রঙিন মার্বেল
হারিয়ে গেলো
কোথায় কোন গর্তে,
তোমার সনে বলবো কথা খুঁজে দেয়ার শর্তে।