ঢাকা,  বুধবার   ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

শেরপুরে অপহৃত শিক্ষার্থী গারো পাহাড় থেকে উদ্ধার, গ্রেফতার ১

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:২২, ৮ মে ২০২০
শেরপুরে অপহৃত শিক্ষার্থী গারো পাহাড় থেকে উদ্ধার, গ্রেফতার ১
ঝিনাইগাতি থানা

শেরপুর থেকে রুকুনুজ্জামান নামে অপহৃত এক শিক্ষার্থীকে ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড় থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। 

অপহৃত ওই শিক্ষার্থী শেরপুর সদরের দিঘারপাড় এলাকার এরশাদ আলীর ছেলে ও কামারিয়া ইদ্রিছিয়া স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। 

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে সাব্বির হোসেন নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

শুক্রবার দুপুরে শেরপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপহৃত রুকুনুজ্জামান শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা করেন। এতে সাব্বির হোসেনসহ দুইজনকে আসামি করা হয়।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, অপহৃত রুকুনুজ্জামান শেরপুর সদরের কামারিয়া ইদ্রিছিয়া স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থী রুকুনুজ্জামান ও গ্রেফতা সাব্বির পাশাপাশি এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় তারা একই সঙ্গে চলাফেরা করতেন। 

গত ৭ মে বৃহস্পতিবার সকাল সাতটার দিকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রুকুনুজ্জামানকে ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের গজনী অবকাশে বেড়ানোর কথা বলে নিয়ে যায়। এর পর সাড়ে আটটার দিকে রুকুনুজ্জামানের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে তার বাবার ব্যবহৃত মোবাইলে কল দিয়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং বিকাশ নম্বরে পাঠাতে বলে। 

এক ঘণ্টার মধ্যে টাকা না পাঠালে রুকুনুজ্জামানকে খুন করার হুমকি দেয়।  তার বাবা টাকা পাঠাতে অস্বীকার করে। রুকুনুজ্জামান তার অবস্থান সর্ম্পকে তার বাবাকে বলতেই সাব্বির তাকে তার পিঠের বাম পাশে চাকু দিয়ে ঘাই মারিয়া গুরুতর জখম করে। এ সময় রুকুনুজ্জামানের ডাক চিৎকারে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় একজন কাঠ ব্যবসায়ী তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।     

মামলার এজাহারের অভিযোগে আরো বলা হয়, রুকুনুজ্জামানকে উদ্ধার করার বিষয়টি ওই কাঠ ব্যবস্থায়ী তার বাবাকে জানান। এদিকে সাব্বির পালিয়ে যাওয়ার সময় শেরপুর-ঝিনাইগাতী সড়কের আহাম্মদনগর এলাকায় রুকুনুজ্জামানের বাবাকে দেখতে পেয়ে পালাতে চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে আটকে করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে থানার ওসি (তদন্ত) সরোয়ার বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলেছে

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!